ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংএ পোজ নিয়ে ছবি তুলে ভোলার ছেলে ভাইরাল

0
0

ভোলা  নিউজ২৪ডটকম।। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের সময় পোজ নিয়ে ছবি তুলে ভাইরাল হয়েছেন ভোলার ছেলে মো. রাশেদুল ইসলাম অনিক (২৬)।

সোমবার (২৪ অক্টোবর) বেসরকারি টেলিভিশন সময় টিভিতে কক্সবাজার প্রতিনিধি সুজাউদ্দীন রুবেল লাইভে (সরাসরি সম্প্রচার) কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের খবর জানাচ্ছিলেন। এসময় তার (রিপোর্টারের) পিছনে থাকা বালুভর্তি জিও ব্যাগের ওপর আড়াআড়ি করে শুয়ে পোজ নিয়ে সৈকতে থাকা ফটোগ্রাফারদের দিয়ে ছবি তুলতে দেখা যায় এক যুবককে।

 

 

এরপর অনেকেই সময় টিভির ওই লাইভ ভিডিওটি এবং ওই যুবকের পোজ নিয়ে ছবি তোলার বিষয়টি স্ক্রিনসট দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। অনেক নেটিজেনেরা পোস্টের মন্তব্যর ঘরে হাস্যকর মন্তব্য করেন। অনেকে আবার তাকে নিয়ে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের সঙ্গেও তুলনা করে হাস্যকর মন্তব্য করতে দেখা যায়।

অনেকে ফেসবুকে লিখেন,সমুদ্রে কুমির ভেসে এসেছে। হাস্যকর পোষ্ট করে সেই ছবি দিয়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই যুবকের বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা পক্ষিয়া ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ডে। তার নাম মো. রাশেদুল ইসলাম অনিক (২৬)। তিনি পেশায় একজন সিকিউরিটি গার্ড। চট্টগ্রামের এক বেসরকারি অফিসে তিনি ৩ বছর ধরে সিকিউরিটি গার্ডের দায়িত্ব পালন করছেন। ২১ অক্টোবর তার গ্রামের বাড়ি থেকে তার দুই বন্ধু কক্সবাজারে ঘুরতে যাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে চট্টগ্রামে তার কাছে যায়। এরপর রাশেদ ৪ দিনের ছুটি নিয়ে ওই দুই বন্ধুকে নিয়ে ২৩ অক্টোবর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যান। ২৪ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে তারা ৩ জন সৈকতের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ফিরে ছবি তুলেছিলেন। এক পর্যায়ে শখের বশত তিনি বালুভর্তি জিও ব্যাগে শুয়ে পোজ নিয়ে ছবি তুলতে গেলে সময় টিভির লাইভে তার পোজ নেওয়ার দৃশ্য চলে আসে।

 

 

এসব তথ্য নিশ্চিত করেন রাশেদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া তার বন্ধু আরিফুল ইসলাম সোহেল।

 

 

তিনি জানান, প্রথমে তারা কেউই এ বিষয়টি জানতেন না। রাতে হোটেলে গিয়ে ফেসবুকে ঢুকে সৈকতের ছবি আপলোড দিবেন। এমন সময় হঠাৎ সময় টিভির ওই লাইভ আরিফের নজরে পড়ে। এরপর তারা ৩ বন্ধু ওই লাইভ ভিডিও দেখে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাশেদের পোজ নেওয়া দৃশ্যটির ভিডিও ও স্ক্রিনসট ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে লজ্জাবোধ করেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে রাশেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

LEAVE A REPLY